মিরসরাইয়ে একটি সালিশি বৈঠকে প্রতিপক্ষের উপর ককটেল নিক্ষেপ ও অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী ও পুরুষসহ অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) ৭ নং কাটাছড়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড রহমাতাবাদ এলাকায় দুপুর ১২টার দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় আহতদের উদ্ধার করে মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, কাটাছড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুর আলম মেম্বারের নেতৃত্বে স্থানীয় এরশাদ উল্লাহর বাড়িতে জমি সংক্রান্ত সালিশি বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠকে প্রতিপক্ষ প্রতিবেশী ইউনুস উপযুক্ত দলিল উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হলে বৈঠক মুলতবি করা হয়।
বৈঠক মুলতবি শেষে ক্ষিপ্ত হয়ে ইউনুস (৪৫) তার ভাই ইসমাইল (৪০) নবী (৩৫) স্থানীয় সেলিম (৪৫) সাইফুল ( ৪০) কাশেম (৫০) কালা মিয়া (৪৫) হোসেনসহ (৫০) ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি দল প্রতিপক্ষের উপর অতর্কিত হামলা ও ককটেল নিক্ষেপ করে এবং ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায়।
হামলায় এরশাদ উল্লাহ (৬০), নাছিমা বেগম (৫০), আবু জাফর ( ৫০), হারাধন (৪৫) আরিফ (২৫) মোশাররফ (২৮) সহ ৮ জন আহত হয়।
আহত এরশাদ উল্লাহ জানান, প্রতিবেশী ইউনুস সেলিম ও কাশেমের সাথে জমি সংক্রান্ত বিরোধে মিমাংসার জন্য সালিশের আয়োজন হয় সকালে। কিন্তু ইউনুসরা জমির কোন দলিল দেখাতে ব্যর্থ হলে দুপুর ১২ টার দিকে সালিশ শেষ হয়ে যায়। সালিশে উপস্থিত সালিশান বিরোধপূর্ণ স্থানে ইউনুসদের অবৈধ প্রবেশ বাঁধা দিয়ে স্থান ত্যাগ করে।
সালিশান স্থান ত্যাগ করার পর ইউনুস, সেলিম ও কাশেমের নেতৃত্বে ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ গড়িয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে বাড়ির লোকজনের উপর হামলা করে। এতে আমরা ৮ জন আহত হই। তারা পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালায়।
বিষয়টি জানতে ইউনুসের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে তাকে বাড়িতে বা ফোনে পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে জোরারগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী নাজমুল হক বলেন , ককটেল বিস্ফোরণে বিষয়ে আমাদের জানা নেই। শুনেছি সালিশি বৈঠককে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ৭ থেকে ৮ জন আহত হয়েছে বলে শুনেছি। থানায় এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি।
মীরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 











