চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ভূমিদস্যু সাধন দে, পুজন দে ও প্রণব দে’র বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জায়গা দখল চেষ্টার অভিযোগে ও জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের ভৌমিক পাড়ার এক ভুক্তভোগী সনাতনী পরিবার।
রবিবার (৩০ নভেম্বর) বিকাল ৪টায় পৌরসদরের সীতাকুণ্ড প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবী করেন ভুক্তভোগী রাজীব ভট্টাচার্য।
লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী রাজীব ভট্টাচার্য বলেন, আমি একজন রাষ্ট্রের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নিরীহ নাগরিক। আর সাধান দে, পুজন দে ও প্রণব দে প্রতারক, লোভী, ভূমিদস্যু, দখলবাজ ও ভন্ড প্রকৃতির লোক হয়। ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া আমার ৫০ বছরের দখলীয় এবং কবলা মূলে ৩৫ বছরের দখলীয় সম্পত্তিতে আমি বসবাস করে আসতেছি। এই দীর্ঘ সময়ে আমার প্রতিবেশী সাধন দে তাদের পছন্দ দামে আমার সম্পত্তি তাদের কাছে বিক্রি করতে আমাকে নানান সময়ে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন। প্রায় সময় ছোটখাটো বিষয়ে আমার ও আমার পরিবারের সাথে ঝঁগড়া বিবাদ করে আসলেও গত ৫ আগষ্ট স্বৈরাচার সরকারের পতনের পরবর্তী সময়ে তিনি হয়ে উঠেন বেপরোয়া। স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক নেতার ছত্রছায়ায় জোরপূর্বক আমার তফশীলভুক্ত সম্পত্তি জবরদখল করতে মরিয়া হয়ে উঠেন। পুজন দে ও প্রণব দে প্রবাসে চাকরী করার সুবাদে তাদের টাকা পয়সা থাকায় এলাকায় কাউকে পরোয়া করেন না। তাদের কথা না শুনায় পুজন দে ও প্রণব দে ভাড়া করা সন্ত্রাসী দিয়ে সাধান দে’র নেতৃত্বে প্রায় সময় রাতে আমার পথ আটকিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছিলেন। সর্বশেষ সাধান তার ভাড়া করা প্রায় ১২/১৫ জন সন্ত্রাসী নিয়ে গত শনিবার ২৯ নভেম্বর আনুমানিক রাত ১২.৪৫ ঘটিকায় আমার বাড়ীর চলাচলের কালভার্ট ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয় এবং যাওয়ার সময় আমার অন্যান্য স্থাপনা ভেঙ্গে দেওয়ার হুমকি দেয়। ওই কালভার্টটি আমি গত ২৩ নভেম্বর ৭০ হাজার টাকা ব্যয়ে বাড়ীর চলালের জন্য নির্মাণ করি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আমার তফশিলভুক্ত ৩৫ বছরের দখলীয় সম্পত্তিতে আমি বসবাস করেও জনমালের নিরাপত্তাহীতায় ভোগতেছি। তাই আজ দুপুরে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি। আমি নিরুপায় হয়ে আমার জানমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তাসহ উক্ত কালভার্টের ক্ষতিপূরণের জন্য আইনি সহায়তা কামনা করছি এবং এই ভূমিদস্যুদের বিচার দাবী করছি।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ভুক্তভোগী সনাতনী পরিবারের সদস্যবৃন্দ।
সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 








