চট্টগ্রাম 5:38 am, Sunday, 22 February 2026

মিরসরাইয়ে মৎসঘের কাটার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে মৎসঘের কেটে মাছ লুট করার প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী রবি করিম। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে বারইয়ারহাটস্থ একটি হোটেলে উক্ত সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় লিখিত বক্তব্যে রবি করিম বলেন, তার ভগ্নিপতির জমিতে তিনি মৎসঘের করেছেন। গতকাল রাতে পাশবর্তি জমির মালিক খানের কর্মচারীরা তাদের পুকুরে গভীর গর্তকরে স্কেভেটর দিয়ে মাটি কাটে। এসম আমার ঘেরের সীমানা প্রাচীরের কিছু অংশ ভেঙ্গে ফেলা হয়। সেখান দিয়ে আমার ঘেরের সমস্ত মাছ ও পানি তাদের পুকুরে চলে যায়।

এসময় স্থানীয়রা আমার ঘেরে থাকা মাছগুলো ধরে নিয়ে যায়। এতে আনার প্রায় ২০-২২ লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে। পরে তারা আমাকে সামান্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা বলে। আমি তাতে রাজি হইনি। এছাড়া মৎস ঘেরের জমিটাও তারা কেনার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করেছে। তবে উপযুক্ত মূল্য না নলায় আমরা জমিটা বিক্রি করিনি। আমি এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

এবিষয়ে সিআইপি খানের ব্যবস্থাপক দীন মোহাম্মদ জানান, আমরা কাজ করতে গিয়ে অসাবধানতার কারণে তার কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। আমরা তাকে মাছের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা বলেছি। কিন্তু নির্দিষ্ট টাকার কারণে সমঝোতা হয়নি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

রাজনৈতিক কারণে শহীদদের তালিকা সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে: হুমাম কাদের চৌধুরী

মিরসরাইয়ে মৎসঘের কাটার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

Update Time : 11:24:18 pm, Saturday, 21 February 2026

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে মৎসঘের কেটে মাছ লুট করার প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী রবি করিম। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে বারইয়ারহাটস্থ একটি হোটেলে উক্ত সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় লিখিত বক্তব্যে রবি করিম বলেন, তার ভগ্নিপতির জমিতে তিনি মৎসঘের করেছেন। গতকাল রাতে পাশবর্তি জমির মালিক খানের কর্মচারীরা তাদের পুকুরে গভীর গর্তকরে স্কেভেটর দিয়ে মাটি কাটে। এসম আমার ঘেরের সীমানা প্রাচীরের কিছু অংশ ভেঙ্গে ফেলা হয়। সেখান দিয়ে আমার ঘেরের সমস্ত মাছ ও পানি তাদের পুকুরে চলে যায়।

এসময় স্থানীয়রা আমার ঘেরে থাকা মাছগুলো ধরে নিয়ে যায়। এতে আনার প্রায় ২০-২২ লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে। পরে তারা আমাকে সামান্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা বলে। আমি তাতে রাজি হইনি। এছাড়া মৎস ঘেরের জমিটাও তারা কেনার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করেছে। তবে উপযুক্ত মূল্য না নলায় আমরা জমিটা বিক্রি করিনি। আমি এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

এবিষয়ে সিআইপি খানের ব্যবস্থাপক দীন মোহাম্মদ জানান, আমরা কাজ করতে গিয়ে অসাবধানতার কারণে তার কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। আমরা তাকে মাছের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা বলেছি। কিন্তু নির্দিষ্ট টাকার কারণে সমঝোতা হয়নি।