জ্বালানি তেলের অপচয় রোধ, অবৈধ মজুদদারি বন্ধ এবং চোরাচালান প্রতিরোধে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে মনিটরিং কার্যক্রম ও মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
গতকাল শনিবার দুপুরে উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন ভাটিয়ারী ফিলিং স্টেশন নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে অকটেন মজুদের দায়ে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। একই দিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফখরুল ইসলাম ইলিয়াস রিফুইলিং স্টেশন, বার আউলিয়া পেট্রোল পাম্প সহ বেশ কয়েকটি তেলের পাম্প পরিদর্শন করেন।
তিনি জানান, ভাটিয়ারী ফিলিং স্টেশন গত শুক্রবার জানিয়েছিল তাদের কাছে ১,১০০ লিটার অকটেন মজুদ আছে। কিন্তু পরিদর্শনে দেখা যায়, একদিন বিক্রির পরও প্রতিষ্ঠানটির কাছে মজুদ আছে ১,৭০০ লিটার। ফলে তথ্য ও বাস্তবতার নিরিখে প্রতীয়মান হয় প্রতিষ্ঠানটি তথ্য গোপন করে মজুদ বাড়িয়েছে।
ইউএনও ফখরুল ইসলাম বলেন, তথ্য গোপন করে অকটেনের অবৈধ মজুদের দায়ে ভাটিয়ারী ফিলিং স্টেশনকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
এদিকে সীতাকুণ্ডের ২৪টি ফিলিং স্টেশনের জন্য ২৪ জন ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ট্যাগ অফিসাররা নির্ধারিত ফিলিং স্টেশনে তেলের মজুদের সঠিকতা যাচাই করবেন, তেল বিক্রয়ে কোনো কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে কিনা পর্যবেক্ষণ করবেন এবং তেল পাচার হলে তা প্রশাসনকে অবহিত করবেন।
এছাড়াও মহাসড়কসহ বিভিন্ন রুটে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে একইদিন ভাটিয়ারী এলাকায় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ৩টি বাসে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ৩টি মামলায় ছয় হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন সতর্ক করে জানিয়েছে, তেলের মজুদদারি, তথ্য গোপন বা পাচারসহ যেকোনো অনিয়ম দমন করা হবে এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 

















