রাঙ্গুনিয়ার মরিয়মনগর চৌমুহনী ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে নিজেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন প্রার্থী মো. আবুল কালাম আবু। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে মরিয়মনগর চৌমুহনীর কাচ্চিমহল রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।
আবুল কালাম জি.এন. এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী এবং উপজেলার মরিয়মনগর এলাকার বাসিন্দা।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ছাত্রজীবন থেকে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। রাঙ্গুনিয়া কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরীর সঙ্গে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন বলে জানান।
সংবাদ সম্মেলনে আবুল কালাম বলেন, গত ৫ আগস্টের পর মরিয়মনগর চৌমুহনী ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলেও অজ্ঞাত কারণে তা বাতিল করা হয়। পরে গত ২৫ অক্টোবর আবার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে নির্ধারিত সময়ে জমা দেন।তিনি দাবি করেন, তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. নেজাম উদ্দিন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়ায় নির্বাচনী কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারেননি। ফলে নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী তাঁকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করার দাবি জানান তিনি।
আবুল কালামের অভিযোগ, তাঁকে নির্বাচিত ঘোষণা না করে নির্বাচন প্রক্রিয়া ভন্ডুল করার চেষ্টা চলছে। অন্য বাজারগুলোর নির্বাচনে নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা অংশ নিতে না পারলেও চৌমুহনী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে তাঁদের অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলন থেকে সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রতি ব্যবসায়ীদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে তাঁকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করার দাবি জানান আবুল কালাম। একই সঙ্গে আগামী ১৪ নভেম্বর নির্ধারিত তারিখে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের আহ্বান জানান তিনি।
রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 













