চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বাস, ড্রাম ট্রাক, নোহা ও একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার মধ্যে চতুর্মুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় জারিয়া বেগম (৪৫) নামে এক নারী পথচারী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
গতকাল রবিবার রাত সোয়া ৯টার দিকে উপজেলার বাড়বকুণ্ড বাজার এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জারিয়া বেগম বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের মিয়াজীপাড়া এলাকার জহরুল আলমের স্ত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাড়বকুণ্ড বাজার এলাকায় রাস্তার পাশে একটি নোহা গাড়ি পার্কিং করে মহাসড়কে ওঠার চেষ্টা করলে পেছন থেকে দ্রুত গতিতে আসা চট্টগ্রামমুখী সৌদিয়া পরিবহনের একটি বাস হঠাৎ ব্রেক করে। এতে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে যায়। এ সময় বাসটির পেছনে থাকা বালু বোঝাই একটি ড্রাম ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাজারের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ধাক্কায় সিএনজিসহ বাজারের ভেতরে একটি ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এ সময় এক নারী পথচারী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এছাড়া আরও চার যাত্রী ও ফলের দোকানের একজন ব্যবসায়ী আহত হন। অন্যদিকে উল্টে যাওয়া বাসের প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন যাত্রী ছিলেন। তার মধ্যে গুরুতর আহত হয়েছে পাঁচজন।
আহতদের মধ্যে একজনের হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের সহযোগিতায় ওই নারীর লাশ উদ্ধার করেছে হাইওয়ে পুলিশ এবং আহত ১০ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে ছয়জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। এ সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রায় দেড় ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে হাইওয়ে পুলিশ যানবাহন সরিয়ে নিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
দুর্ঘটনায় হতাহতের বিষয়টি বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার ওসি মোঃ আব্দুল হক নিশ্চিত করে বলেন, দুর্ঘটনায় একজন নারী নিহত হয়েছেন। বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 








