৫ আগস্টের পর আত্মগোপনে থাকার পর আবারও এলাকায় ফিরে এসে জমি দখলসহ নানা অভিযোগে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন আওয়ামী লীগ নেতা নাদিম শাহ। তিনি রাঙ্গুনিয়া উপজেলার মরিয়মনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্যাস সিলিন্ডার টেম্পারিং করে গ্যাস চুরির অভিযোগ এবং এ সংক্রান্ত ঘটনায় এক কর্মচারীর মৃত্যুর পর তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। এছাড়া সরকারি জায়গা দখলের চেষ্টা করায় সম্প্রতি ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে জরিমানাও করে।
এদিকে রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার সৈয়দবাড়ি এলাকায় বিএনপি নেতা মো. মুরাদের জমি দখলের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে তার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মো. মুরাদ রাঙ্গুনিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মার্চ বিকেলে সৈয়দবাড়ি কালাবুজ্যার দোকানের সামনে মো. মুরাদ তার দোকানের ভাড়া নিতে গেলে পূর্ব বিরোধের জেরে নাদিম শাহ ও তার সহযোগী মোরশেদ তাকে মারধর করেন। অভিযোগে বলা হয়, নাদিম শাহ তাকে কিল-ঘুষি মারেন এবং মোরশেদ লাঠি দিয়ে আঘাত করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করেন। এ সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।
পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তিনি উদ্ধার হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।
ভুক্তভোগী মো. মুরাদ জানান, “বিবাদীরা যেকোনো সময় আমাকে বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে। আমার জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে আমি শঙ্কিত।” তবে অভিযুক্তরা বিএনপি নেতা মুরাদের সকল অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে রাঙ্গুনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আরমান হোসেন জানান, অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরি হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 


















