চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জে অভিযান চালিয়ে মোটরসাইকেল চোর চক্রের ছয় সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে একটি ইয়ামাহা আর পনের, একটি হিরো ও একটি প্লাটিনাম মোটরসাইকেলসহ ছয়টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকে রাত পর্যন্ত পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার ও মোটরসাইকেলগুলো উদ্ধার করা হয়।
জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সম্ভাব্য আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে জোরারগঞ্জ থানাধীন ৪ নম্বর ধুম ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাংলাবাজার এলাকার রজব আলী সওদাগর বাড়ির নুর হোসেনের পাকা ঘরে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন—পূর্ব অলিনগর গ্রামের মৃত মো. মানু মিয়ার ছেলে মো. জামসেদ হোসেন ওরফে শুভ (২৩); একই গ্রামের মো. পিন্টু মিয়ার ছেলে মো. শরিফুল ইসলাম ওরফে জনি (২৬); বারইয়ারহাট পৌরসভার জামালপুর গ্রামের মৃত ছান উল্লাহর ছেলে সাইফুল ইসলাম ওরফে চাঁদ মিয়া (২০); ধুম ইউনিয়নের নাহেরপুর গ্রামের মো. হুমায়ুন কবিরের ছেলে আসিফ মাহমুদ ওরফে অভি (২৪); ধুম গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে ইসমাইল হোসেন (১৮) এবং ইছাখালী ইউনিয়নের দেওখালী গ্রামের শামসুদ্দিনের ছেলে মো. মাশরাফি (২০)।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারদের হেফাজত থেকে একটি আর পনের মোটরসাইকেল ও ছয়টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। পরে তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত সাড়ে ১১টার দিকে করেরহাট ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ছত্তরুয়া এলাকার ‘করেরহাট বাইক ল্যাব’ নামের একটি মোটরসাইকেল গ্যারেজে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে আরও দুটি চোরাই মোটরসাইকেল—একটি হিরো ও একটি প্লাটিনাম—উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় জোরারগঞ্জ থানায় ১৩ সেপ্টেম্বর মামলা নম্বর-২১, ধারা ৩৭৯/৪১১/৩৪ পেনাল কোডে মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এবিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মো. মনির আহম্মদসহ পুলিশের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে ছয় মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য ও তিন মোটরসাইকেল উদ্ধার করে। চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
মীরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 


















