চট্টগ্রাম 10:22 pm, Monday, 26 October 2026

বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র: নান্দনিক অনুষ্ঠানমালা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতায় এক নতুন অধ্যায়

অতীতে নানা সীমাবদ্ধতা, বৈচিত্র্যহীন আয়োজন ও প্রশাসনিক স্থবিরতার কারণে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) চট্টগ্রাম কেন্দ্র নিয়ে নানা সমালোচনা থাকলেও, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি এক ভিন্ন রূপ লাভ করেছে। একটি আধুনিক, পূর্ণাঙ্গ ও দর্শকবান্ধব সম্প্রচার কেন্দ্র হিসেবে এর আত্মপ্রকাশ ঘটছে। কেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. ইমাম হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের পর গত কয়েক মাসে এখানে দৃশ্যমান ও সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। অনুষ্ঠানমালার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোর সম্প্রসারণ এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে তাঁর নেওয়া উদ্যোগগুলো ইতোমধ্যে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

দেশের সব জাতিসত্তা ও সংস্কৃতির মিলনমেলায় একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র এখন দারুণ সব উদ্যোগ নিয়েছে। পাহাড়ি মানুষের জীবনধারা, তাদের অনন্য সংস্কৃতি, কৃষি এবং নান্দনিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান এখন নিয়মিত বিটিভি চট্টগ্রামে সম্প্রচার করা হচ্ছে। যেখানে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান শিল্পী ও কলাকুশলীরা এসে অত্র কেন্দ্রে অনুষ্ঠান করার সুযোগ পাচ্ছে। বিশেষ করে বিভিন্ন জাতীয় ও উৎসবের দিনগুলোতে স্টুডিওর গণ্ডি পেরিয়ে মুক্তাঙ্গনে মানসম্মত অনুষ্ঠান তৈরির প্রবণতা বেড়েছে। আঞ্চলিক সংস্কৃতিকে জাতীয় গণমাধ্যমের মূলধারায় যুক্ত করার এই প্রয়াস কেন্দ্রটির কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

রাষ্ট্রীয় এই সম্প্রচার মাধ্যমের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল, তা ঘুচিয়ে তরুণ প্রজন্মকে আবারও বিটিভিমুখী করতে নাট্য ও সংগীতানুষ্ঠানে আনা হয়েছে আধুনিকতার সুবাতাস। রুচিশীল ও সময়োপযোগী এসব পরিবেশনা দর্শকদের মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। অনুষ্ঠান নির্মাণের পাশাপাশি সম্প্রসারণ ঘটেছে ভৌত অবকাঠামোর। সম্প্রতি নবনির্মিত পাঁচতলা ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে, যা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করেছে। এছাড়া নাটকসহ বিভিন্ন প্রযোজনা এখন আউটডোরে ধারণের জন্য স্বতন্ত্র ইউনিট গঠন করা হয়েছে এবং তৈরি হচ্ছে একটি আধুনিক অডিও স্টুডিও। এসব সুযোগ-সুবিধা ভবিষ্যতে আরও মানসম্মত অনুষ্ঠান উপহার দিতে বড় ভূমিকা রাখবে।

শুধু অনুষ্ঠান নির্মাণ বা অবকাঠামো নয়, বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায়ও এসেছে যুগান্তকারী পরিবর্তন। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মতৎপরতা, জবাবদিহিতা এবং সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে কঠোর ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ।

​সংশ্লিষ্টদের মতে, অতীতে অনুষ্ঠান পরিচালনা ও সম্মানী নির্ধারণে ব্যক্তিনির্ভর তদবির বা অনানুষ্ঠানিক প্রভাবের সুযোগ থাকলেও বর্তমান প্রশাসন নিয়মতান্ত্রিক পথ অনুসরণ করে তা পুরোপুরি বন্ধ করেছে। বিশেষ করে শিল্পী ও কলাকুশলীদের পারিশ্রমিক বা চেক ছাড় করার ক্ষেত্রে কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এর ফলে সরকারি তহবিলের সঠিক ব্যবহার ও আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি হ্রাস পেয়েছে অপ্রয়োজনীয় ব্যয়।

তবে বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সফল পথচলাকে বাধাগ্রস্ত করতে একটি কুচক্রী মহল অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর ও সুবিধাভোগী এই চক্রটি অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে ভুয়া ফেসবুক পেইজ ও পোর্টালের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। সম্প্রতি এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘বেতার ও টেলিভিশন শিল্পী সংস্থা’। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সভায় বক্তারা বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের চলমান উন্নয়ন, আধুনিকায়ন ও সম্প্রচার কার্যক্রমকে ব্যাহত করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. ইমাম হোসেন বলেন, “বাংলাদেশ সরকার তথা জনগণের অর্থে পরিচালিত বাংলাদেশ টেলিভিশন—চট্টগ্রাম কেন্দ্র দুর্নীতি ও অনিয়মের বিষয়ে সম্পূর্ণ আপসহীন বা জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাসী। এই চ্যানেলটিকে আরও জনপ্রিয় ও দর্শকবান্ধব করে তুলতে শিল্পী সমাজসহ সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন। বিশেষ করে, মিথ্যা, অসত্য বা গুজব ছড়ানোর ফলে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলদের কাজের স্পৃহা মার খায়, যা শেষ পর্যন্ত প্রকারান্তরে শিল্পী সমাজকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে।”ব্যক্তিগত সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে ওঠার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “ব্যক্তিগত স্বার্থের কথা না ভেবে আমাদের সকলের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সার্বিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি।

সকল ইতিবাচক পরিবর্তনের পরেও বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সামনে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো অবকাঠামোগত অগ্রগতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অনুষ্ঠানমালার মানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা। কারণ, কেবল আধুনিক স্টুডিও বা উন্নত প্রযুক্তি দিয়ে দীর্ঘস্থায়ীভাবে দর্শক ধরে রাখা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন মানসম্মত নাটক, স্থানীয় সংস্কৃতির সঠিক উপস্থাপন, তরুণ প্রজন্মের রুচি অনুযায়ী বিনোদনমূলক আয়োজন, খেলাধুলা এবং সমসাময়িক নানা বিষয়ভিত্তিক আকর্ষণীয় অনুষ্ঠান।বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র চেষ্টা করে যাচ্ছে তা বাস্তবায়ন করে দর্শকশ্রোতাদের মন জয় করতে।

প্রসঙ্গত, কঠোর প্রশাসনিক শৃঙ্খলা এবং নান্দনিক অনুষ্ঠান নির্মাণের এক অপূর্ব সমন্বয়ে বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রটি আজ গণমাধ্যম অঙ্গনে এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন করেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

মীরসরাইয়ে চুরি মামলার আসামি গ্রেপ্তার, ৫ মাদকসেবীর কারাদণ্ড

বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র: নান্দনিক অনুষ্ঠানমালা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতায় এক নতুন অধ্যায়

Update Time : 10:14:33 pm, Monday, 26 October 2026

অতীতে নানা সীমাবদ্ধতা, বৈচিত্র্যহীন আয়োজন ও প্রশাসনিক স্থবিরতার কারণে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) চট্টগ্রাম কেন্দ্র নিয়ে নানা সমালোচনা থাকলেও, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি এক ভিন্ন রূপ লাভ করেছে। একটি আধুনিক, পূর্ণাঙ্গ ও দর্শকবান্ধব সম্প্রচার কেন্দ্র হিসেবে এর আত্মপ্রকাশ ঘটছে। কেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. ইমাম হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের পর গত কয়েক মাসে এখানে দৃশ্যমান ও সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। অনুষ্ঠানমালার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোর সম্প্রসারণ এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে তাঁর নেওয়া উদ্যোগগুলো ইতোমধ্যে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

দেশের সব জাতিসত্তা ও সংস্কৃতির মিলনমেলায় একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র এখন দারুণ সব উদ্যোগ নিয়েছে। পাহাড়ি মানুষের জীবনধারা, তাদের অনন্য সংস্কৃতি, কৃষি এবং নান্দনিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান এখন নিয়মিত বিটিভি চট্টগ্রামে সম্প্রচার করা হচ্ছে। যেখানে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান শিল্পী ও কলাকুশলীরা এসে অত্র কেন্দ্রে অনুষ্ঠান করার সুযোগ পাচ্ছে। বিশেষ করে বিভিন্ন জাতীয় ও উৎসবের দিনগুলোতে স্টুডিওর গণ্ডি পেরিয়ে মুক্তাঙ্গনে মানসম্মত অনুষ্ঠান তৈরির প্রবণতা বেড়েছে। আঞ্চলিক সংস্কৃতিকে জাতীয় গণমাধ্যমের মূলধারায় যুক্ত করার এই প্রয়াস কেন্দ্রটির কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

রাষ্ট্রীয় এই সম্প্রচার মাধ্যমের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল, তা ঘুচিয়ে তরুণ প্রজন্মকে আবারও বিটিভিমুখী করতে নাট্য ও সংগীতানুষ্ঠানে আনা হয়েছে আধুনিকতার সুবাতাস। রুচিশীল ও সময়োপযোগী এসব পরিবেশনা দর্শকদের মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। অনুষ্ঠান নির্মাণের পাশাপাশি সম্প্রসারণ ঘটেছে ভৌত অবকাঠামোর। সম্প্রতি নবনির্মিত পাঁচতলা ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে, যা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করেছে। এছাড়া নাটকসহ বিভিন্ন প্রযোজনা এখন আউটডোরে ধারণের জন্য স্বতন্ত্র ইউনিট গঠন করা হয়েছে এবং তৈরি হচ্ছে একটি আধুনিক অডিও স্টুডিও। এসব সুযোগ-সুবিধা ভবিষ্যতে আরও মানসম্মত অনুষ্ঠান উপহার দিতে বড় ভূমিকা রাখবে।

শুধু অনুষ্ঠান নির্মাণ বা অবকাঠামো নয়, বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায়ও এসেছে যুগান্তকারী পরিবর্তন। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মতৎপরতা, জবাবদিহিতা এবং সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে কঠোর ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ।

​সংশ্লিষ্টদের মতে, অতীতে অনুষ্ঠান পরিচালনা ও সম্মানী নির্ধারণে ব্যক্তিনির্ভর তদবির বা অনানুষ্ঠানিক প্রভাবের সুযোগ থাকলেও বর্তমান প্রশাসন নিয়মতান্ত্রিক পথ অনুসরণ করে তা পুরোপুরি বন্ধ করেছে। বিশেষ করে শিল্পী ও কলাকুশলীদের পারিশ্রমিক বা চেক ছাড় করার ক্ষেত্রে কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এর ফলে সরকারি তহবিলের সঠিক ব্যবহার ও আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি হ্রাস পেয়েছে অপ্রয়োজনীয় ব্যয়।

তবে বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সফল পথচলাকে বাধাগ্রস্ত করতে একটি কুচক্রী মহল অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর ও সুবিধাভোগী এই চক্রটি অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে ভুয়া ফেসবুক পেইজ ও পোর্টালের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। সম্প্রতি এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘বেতার ও টেলিভিশন শিল্পী সংস্থা’। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সভায় বক্তারা বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের চলমান উন্নয়ন, আধুনিকায়ন ও সম্প্রচার কার্যক্রমকে ব্যাহত করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. ইমাম হোসেন বলেন, “বাংলাদেশ সরকার তথা জনগণের অর্থে পরিচালিত বাংলাদেশ টেলিভিশন—চট্টগ্রাম কেন্দ্র দুর্নীতি ও অনিয়মের বিষয়ে সম্পূর্ণ আপসহীন বা জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাসী। এই চ্যানেলটিকে আরও জনপ্রিয় ও দর্শকবান্ধব করে তুলতে শিল্পী সমাজসহ সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন। বিশেষ করে, মিথ্যা, অসত্য বা গুজব ছড়ানোর ফলে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলদের কাজের স্পৃহা মার খায়, যা শেষ পর্যন্ত প্রকারান্তরে শিল্পী সমাজকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে।”ব্যক্তিগত সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে ওঠার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “ব্যক্তিগত স্বার্থের কথা না ভেবে আমাদের সকলের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সার্বিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি।

সকল ইতিবাচক পরিবর্তনের পরেও বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সামনে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো অবকাঠামোগত অগ্রগতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অনুষ্ঠানমালার মানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা। কারণ, কেবল আধুনিক স্টুডিও বা উন্নত প্রযুক্তি দিয়ে দীর্ঘস্থায়ীভাবে দর্শক ধরে রাখা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন মানসম্মত নাটক, স্থানীয় সংস্কৃতির সঠিক উপস্থাপন, তরুণ প্রজন্মের রুচি অনুযায়ী বিনোদনমূলক আয়োজন, খেলাধুলা এবং সমসাময়িক নানা বিষয়ভিত্তিক আকর্ষণীয় অনুষ্ঠান।বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র চেষ্টা করে যাচ্ছে তা বাস্তবায়ন করে দর্শকশ্রোতাদের মন জয় করতে।

প্রসঙ্গত, কঠোর প্রশাসনিক শৃঙ্খলা এবং নান্দনিক অনুষ্ঠান নির্মাণের এক অপূর্ব সমন্বয়ে বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রটি আজ গণমাধ্যম অঙ্গনে এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন করেছে।